<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Teacher Related Archives - RajdeepPaulOfficial.in</title>
	<atom:link href="https://rajdeeppaulofficial.in/tag/teacher-related/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://rajdeeppaulofficial.in/tag/teacher-related/</link>
	<description>A site For Students, Teachers &#38; Learners..</description>
	<lastBuildDate>Wed, 07 Jan 2026 16:33:39 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9</generator>

<image>
	<url>https://rajdeeppaulofficial.in/wp-content/uploads/2020/09/cropped-Rajdeeppaulofficial.in-Favi-32x32.jpg</url>
	<title>Teacher Related Archives - RajdeepPaulOfficial.in</title>
	<link>https://rajdeeppaulofficial.in/tag/teacher-related/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>What is Discussion Method in Teaching (আলোচনা পদ্ধতি কি)</title>
		<link>https://rajdeeppaulofficial.in/discussion-method-in-teaching/</link>
					<comments>https://rajdeeppaulofficial.in/discussion-method-in-teaching/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Rajdeep Paul]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 09 Oct 2020 17:04:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Teachers Zone]]></category>
		<category><![CDATA[Lesson Plan]]></category>
		<category><![CDATA[Teacher Related]]></category>
		<category><![CDATA[Teaching Method]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://rajdeeppaulofficial.in/?p=159</guid>

					<description><![CDATA[<p>সকল শিক্ষক শিক্ষিকাগণই শ্রেণীকক্ষে পাঠদানকালে বিভিন্ন ধরণের শিক্ষন পদ্ধতি প্রয়োগ করে থাকেন শিক্ষা প্রণালীকে আরও সহজ করে তোলার জন্য। শ্রেণীকক্ষে উপস্থিত ছাত্র ছাত্রীরা যাতে প্রতিদিনের পাঠগুলি অনায়াসে আয়ত্ত করতে পারে এর জন্য শিক্ষক শিক্ষিকাগন পাঠ্য বিষয় কে সহজ থেকে সহজতর করে তোলার জন্য শ্রেণীকক্ষে পাঠদান কালে বিভিন্ন ধরণের আলাদা আলাদা শিক্ষন পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে থাকেন,&#160;আলোচনা ... <a title="What is Discussion Method in Teaching (আলোচনা পদ্ধতি কি)" class="read-more" href="https://rajdeeppaulofficial.in/discussion-method-in-teaching/" aria-label="Read more about What is Discussion Method in Teaching (আলোচনা পদ্ধতি কি)">Read more</a></p>
<p>The post <a href="https://rajdeeppaulofficial.in/discussion-method-in-teaching/">What is Discussion Method in Teaching (আলোচনা পদ্ধতি কি)</a> appeared first on <a href="https://rajdeeppaulofficial.in">RajdeepPaulOfficial.in</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>সকল শিক্ষক শিক্ষিকাগণই শ্রেণীকক্ষে পাঠদানকালে বিভিন্ন ধরণের শিক্ষন পদ্ধতি প্রয়োগ করে থাকেন শিক্ষা প্রণালীকে আরও সহজ করে তোলার জন্য। শ্রেণীকক্ষে উপস্থিত ছাত্র ছাত্রীরা যাতে প্রতিদিনের পাঠগুলি অনায়াসে আয়ত্ত করতে পারে এর জন্য শিক্ষক শিক্ষিকাগন পাঠ্য বিষয় কে সহজ থেকে সহজতর করে তোলার জন্য শ্রেণীকক্ষে পাঠদান কালে বিভিন্ন ধরণের আলাদা আলাদা শিক্ষন পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে থাকেন,&nbsp;আলোচনা পদ্ধতি বা Discussion Method হলো এর মধ্যে একটি অন্যতম শিক্ষন পদ্ধতি।&nbsp;&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading">What is Discussion Method ?</h2>



<p><strong>আলোচনা পদ্ধতি কি ?</strong></p>



<p>আলোচনা পদ্ধতি (Discussion Method) হলো এমন এক শিক্ষন পদ্ধতি যা শিক্ষক&nbsp;শিক্ষিকাগন শ্রেণীকক্ষে আলোচনার মাধ্যমে পাঠদান করার জন্য ব্যবহার করে থাকেন অর্থাৎ বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে পাঠদান করার সময় শিক্ষক শিক্ষিকাগন যখন পাঠের বিষয়গুলি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে&nbsp;আলোচনা করার মাধ্যমে বুঝিয়ে থাকেন তখন সেটাকে&nbsp;Discussion Method বা আলোচনা পদ্ধতি বলে।</p>



<p>    </p>



<h2 class="wp-block-heading">আলোচনা পদ্ধতি (Discussion Method) তে কিভাবে পাঠদান&nbsp;করা হয়&nbsp;?&nbsp;</h2>



<p>আলোচনা পদ্ধতিতে শ্রেণীকক্ষে পাঠ্যবিষয় গুলি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পাঠদান করা হয়।অন্যভাবে বলতে গেলে পাঠ্যপুস্তকের কোনো বিষয়&nbsp;পড়ানোর ও বোঝানোর জন্য শিক্ষক শিক্ষিকাগন যখন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেই বিষয়টি সম্পর্কে আলাপ&nbsp;আলোচনার মাধ্যমে পড়িয়ে&nbsp;ও বুঝিয়ে থাকেন, তখন তাকে আলোচনা পদ্ধতি বা ডিসকাশন মেথড বলা হয়।</p>



<p></p>



<p><strong>Related Post : <a href="https://rajdeeppaulofficial.in/teachers-diary-in-bengali/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">Teachers Diary in Bengali Language</a></strong></p>



<p>    </p>



<h2 class="wp-block-heading">What are the Advantages of Discussion Method ?</h2>



<p><strong>আলোচনা পদ্ধতির সুবিধাগুলি কি কি ?</strong></p>



<p>শ্রেণীকক্ষে পাঠদান কালে আলোচনা পদ্ধতি ব্যবহারের বেশ কিছু সুবিধা আছে, এর মধ্যে কিছু সুবিধার কথা নিচে উল্লেখ করা হলো :</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>১. এটি শিক্ষকের শিক্ষকতার চাইতে শিক্ষার্থীর শিক্ষনের উপর বেশি জোর দেয় :-</strong>&nbsp;</h3>



<p>আলোচনা পদ্ধতিতে&nbsp;শিক্ষকদের বক্তৃতা (Lecturing) দেওয়ার মাধ্যমে পড়ানোর উপর জোর দেওয়া হয় না, এই পদ্ধতিতে&nbsp;শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ের উপর&nbsp;আলোচনায়&nbsp;সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে শিক্ষাগ্রহণ করতে হয় এবং তাই এই পদ্ধতিটি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর হয়ে থাকে। আলোচনা&nbsp;পদ্ধতিতে শিক্ষকগণ একজন গাইড হিসাবে পাঠ্যবিষয়ের উপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থীদের জন্য&nbsp;আলোচনার বিষয় নির্বাচন করে থাকেন এবং সেই আলোচনায়&nbsp;শিক্ষার্থীদের সক্রিয়তা কতটুকু সে বিষয়ে&nbsp;লক্ষ্য রেখে থাকেন। শিক্ষার্থীরা&nbsp;শিক্ষাগ্রহণ করার জন্য পাঠ্যবিষয়ের উপর বিভিন্ন আলোচনায় সক্রিয়ভাবে&nbsp;অংশগ্রহণ করতে হয়।&nbsp;</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>২. এটি শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক :-</strong>&nbsp;</h3>



<p>যেহেতু আলোচনা পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবিষয়ের উপর আয়োজিত বিভিন্ন আলোচনায় সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষাগ্রহণ করতে হয় তাই এই পদ্ধতিটি হলো শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক এবং আমরা সকলেই জানি যে শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক শিক্ষাপ্রণালীই বেশি কার্যকরী হয়ে থাকে।&nbsp;</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>৩. এটিতে সকলে অংশগ্রহণ করতে পারে :-</strong>&nbsp;</h3>



<p>বিদ্যালয় শ্রেণীকক্ষে সকল শিক্ষার্থীরা সমান থাকে না, সকল শিক্ষার্থীর বুদ্ধাঙ্কও সমান থাকে না, কিছু শিক্ষার্থী খুব প্রখর ও বুদ্ধিমান হয় কিন্তু কিছু শিক্ষার্থী খুব শ্লথ গতি (Slow Learner)&nbsp;সম্পন্ন হয়, কিছু শিক্ষার্থী সবকিছুতে আগে এগিয়ে আসে কিন্তু কিছু শিক্ষার্থী আবার লাজুক&nbsp;স্বভাবেরও হয়।এছাড়াও অনেক বিদ্যালয়ে CWSN শিক্ষার্থীও থাকে। এই সকল শিক্ষার্থীরা অনেক সময় শিক্ষন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না তাই প্রখর আর বুদ্ধাঙ্ক বেশি থাকা শিক্ষার্থীরা শিক্ষন প্রক্রিয়ায় এগিয়ে গেলেও শ্লথ ও লাজুক স্বভাবের শিক্ষার্থীরা সেই অনুযায়ী অগ্রসর হতে পারে না কিন্তু&nbsp;আলোচনা পদ্ধতিতে শিক্ষন প্রক্রিয়ায় সকল শিক্ষার্থীরাই সমান অধিকার পেয়ে থাকে এবং সমান ভাবে আলোচনায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষাগ্রহণ করতে পারে এবং নিজেদের পছন্দ ও চিন্তাধারার কথা সহপাঠীদের সম্মুখে তুলে&nbsp;ধরতেও পারে&nbsp;।&nbsp;</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>৪. এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণতান্ত্রিক চিন্তাভাবনার&nbsp;বিকাশ ঘটায় :-</strong>&nbsp;</h3>



<p>আলোচনা পদ্ধতিতে&nbsp;বিদ্যালয় শ্রেণীকক্ষে পাঠ্যবিষয় সম্বন্ধীয় বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণতান্ত্রিক চিন্তাভাবনার&nbsp;বিকাশ ঘটে&nbsp;থাকে। এখানে শিক্ষার্থীদের মতামত, চিন্তাধারা, কল্পনা, ধারণা সবকিছুতেই সকলকে সমান অধিকার দেওয়া হয়ে থাকে, সকল শিক্ষার্থীর ধারণা ও মতামতকে সমমর্যাদা দেওয়া হয় তাই সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহায়তা ও সহযোগিতামূলক মনোভাবেরও&nbsp;বিকাশ ঘটে থাকে।</p>



<h3 class="wp-block-heading">৫. এটি শিক্ষার্থীদের চিন্তাশীল করে তোলে এবং শিক্ষার্থীর চিন্তাশক্তি ও কল্পনাশক্তির বিকাশ ঘটায় : &#8211; </h3>



<p>আলোচনা পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা যখন কোনো বিষয়ের উপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করে তখন তারা সেই বিষয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করে থাকে এবং আলোচনার বিষয়টি&nbsp;যদি কোনো সমস্যাজনিত বিষয় হয় তবে শিক্ষার্থীরা সেই সমস্যার সমাধান&nbsp;খুঁজে বের করার জন্য নিজেদের কল্পনাশক্তির প্রয়োগ করে থাকে যার ফলে তাদের কল্পনাশক্তির বিকাশ ঘটে এবং তারা যে কোনো বিষয়ে&nbsp;আরও গভীর জ্ঞান অর্জন করতে সক্ষম হয়।&nbsp;</p>



<h3 class="wp-block-heading">৬. এটি শিক্ষার্থীদের আত্মপ্রকাশে সহায়তা করে :-</h3>



<p>আলোচনা পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করার মাধ্যমে শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হয় তাই শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করে থাকে এবং নিজেদের মতামত ও পছন্দের কথা সকলের সম্মুখে তুলে ধরে থাকে। এর ফলে যে সব শিক্ষার্থীরা লাজুক স্বভাবের থাকে বা কম বুদ্ধ্যঙ্কসম্পন্ন থাকে তারাও অন্যান্য প্রখর ও তীব্র বুদ্ধিসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মতো সমান অধিকার পেয়ে থাকে এবং তাদের মতামতেরও সমমর্যাদা পেয়ে থাকে। সেই কারণে শ্রেণীকক্ষে উপস্থিত সকল শিক্ষার্থীরাই নিজেদের পছন্দ অপছন্দের কথা বা কোনো বিষয়ে নিজেদের মতামতের কথা অনায়াসে সকলের সম্মুখে প্রকাশ করতে পারে এবং এর ফলে অন্য সকলের মতো লাজুক প্রকৃতির শিক্ষার্থীরাও আত্মপ্রকাশ করতে সক্ষম হয়ে উঠে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><br>৭. এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহিষ্ণুতা বাড়ায় :-</h3>



<p>আলোচনা পদ্ধতিতে কোনো&nbsp;শিক্ষার্থী যখন আলোচনায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য শিক্ষার্থীদের&nbsp;সঙ্গে কোনো বিষয়ে আলোচনা করে থাকে তখন তারা নিজেদের&nbsp;পছন্দ ও&nbsp;মতামতের সঙ্গে অন্যান্য&nbsp;সব শিক্ষার্থীর পছন্দ ও মতামতের&nbsp;মিল বা অমিল কি তা বুঝতে পারে। আলোচনার সময় একজন শিক্ষার্থীর মতের সঙ্গে অন্য শিক্ষার্থীর মতামতের সাদৃশ্য বা মিল থাকলে তো ঠিক আছে কিন্তু মতামতের যদি&nbsp;অমিল থাকে তখন শিক্ষার্থিরা অন্যের&nbsp;মতামত অপ্রীতিকর হলেও বা অন্যের মতের সঙ্গে হাজার মতবিরোধ থাকলেও তা তারা&nbsp;সহ্য করতে শেখে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের সহিষ্ণুতা বাড়ে এবং তাদের মধ্যে&nbsp;অন্যের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি শ্রদ্ধা মনোভাব বিকশিত হয়&nbsp;।&nbsp;</p>



<h3 class="wp-block-heading">৮. এটি শিক্ষন&nbsp;প্রণালীকে সহজ ও আকর্ষণীয় করে তোলে :-&nbsp;</h3>



<p>যেহেতু আলোচনা পদ্ধতিতে শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠ্য বিষয়ের উপর আয়োজিত বিভিন্ন আলোচনায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে হয় তাই এই পদ্ধতিটি শিক্ষার্থীদের শিক্ষন প্রক্রিয়াকে অনেক বেশি কার্যকরী করে তোলে। সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের ফলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগ্রহণ প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়ে উঠে। শিক্ষার্থীরা আলোচনার মাধ্যমে, নিজের মতামত প্রকাশ করার মাধ্যমে এবং অন্যের মতামতের সঙ্গে নিজের মতের মিল বা অমিল বুঝে নেওয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত পাঠ্যবিষয়ের উপর জ্ঞান আহরণ করে থাকে এবং এর জন্যই এই পদ্ধতিটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠে। </p>



<h2 class="wp-block-heading"><br>What are the Disadvantages of Discussion Method ?</h2>



<p><strong>আলোচনা পদ্ধতির অসুবিধাগুলি কি কি ?</strong></p>



<p>শ্রেণীকক্ষে পাঠদান কালে আলোচনা পদ্ধতি ব্যবহারের যেভাবে বেশ কিছু সুবিধা আছে, ঠিক&nbsp;সেভাবেই&nbsp;এর মধ্যে কিছু অসুবিধাও আছে। এই অসুবিধা গুলির&nbsp;কথা নিচে উল্লেখ করা হলো :</p>



<h3 class="wp-block-heading">১.&nbsp; এটি খুব সময়বহুল শিক্ষণ পদ্ধতি:-&nbsp;</h3>



<p>যেহেতু আলোচনা পদ্ধতিতে সকল শিক্ষার্থীকে পাঠ্য বিষয় সম্বন্ধীয় বিভিন্ন বিষয়ে সক্রিয়ভাবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে হয় তাই এই ধরণের আলোচনায় অনেক বেশি সময়ের প্রয়োজন হয়। প্রতিজন&nbsp;শিক্ষার্থী যখন নিজেদের চিন্তাধারা ও মতামত সবার সামনে তুলে ধরে তখন বেশ কিছু&nbsp;সময়ের প্রয়োজন হয়। একটি শ্রেণীকক্ষে যদি ২০ জন শিক্ষার্থী থাকে এবং প্রত্যেকে নিজেদের মতামত তুলে ধরতে যদি দুই মিনিট করেও সময় নিয়ে থাকে তবুও ৪০ মিনিট সময়ের প্রয়োজন।&nbsp;</p>



<h3 class="wp-block-heading">২.&nbsp; এই পদ্ধতিতে সকল বিষয় পড়ানো যায় না :</h3>



<p>এমন অনেকগুলি বিষয় আছে যা&nbsp;আলোচনা পদ্ধতিতে করানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়, যেমন বিজ্ঞান বিষয়ের কোনো টপিক যেখানে কোনো কাজ করে দেখতে হয়, এই ধরণের টপিকগুলো আলোচনা পদ্ধতিতে করানো সম্ভব নয়। এছাড়াও&nbsp;বাংলা বা&nbsp; ইংরেজি&nbsp;বিষয়ের কোনো কবিতা আবৃত্তি বা বোঝানোর ক্ষেত্রেও এই পদ্ধতি ব্যবহার করা যায় না।&nbsp;</p>



<h3 class="wp-block-heading">৩. এই পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য শিক্ষার্থীর বিষয়বস্তুর উপর সাধারণ জ্ঞান থাকতে হয়:-</h3>



<p>&nbsp;যে কোনো বিষয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে হলে শিক্ষার্থীর সেই বিষয়ে সাধারণ জ্ঞান থাকাটা খুব প্রয়োজন, তা না হলে শিক্ষার্থীরা সেই বিষয়ে মতামত দিতে অসমর্থ থাকবে&nbsp;এবং সেই কারণে শিক্ষার্থীর আলোচনার&nbsp;বিষয়বস্তুর উপর সাধারণ ধারণা না থাকলে আলোচনা পদ্ধতি ব্যবহার করা কোনোভাবেই সম্ভবপর নয়।&nbsp;</p>



<h3 class="wp-block-heading">৪. অন্যান্য অসুবিধা সমূহ :-&nbsp;</h3>



<p>আলোচনা পদ্ধতি ছোট শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকরী হয় না। এছাড়াও এই পদ্ধতিতে অনেকসময় শিক্ষার্থীরা আলোচনা করতে করলে মতবিরোধ এর কারণে ঝগড়াও শুরু করে দেয়।</p>
<p>The post <a href="https://rajdeeppaulofficial.in/discussion-method-in-teaching/">What is Discussion Method in Teaching (আলোচনা পদ্ধতি কি)</a> appeared first on <a href="https://rajdeeppaulofficial.in">RajdeepPaulOfficial.in</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://rajdeeppaulofficial.in/discussion-method-in-teaching/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>4</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>How to Write Teachers Diary in Bengali.. বাংলা ভাষায় টিচার্স ডায়রি কিভাবে তৈরী করবেন</title>
		<link>https://rajdeeppaulofficial.in/teachers-diary-in-bengali/</link>
					<comments>https://rajdeeppaulofficial.in/teachers-diary-in-bengali/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Rajdeep Paul]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 25 Sep 2020 16:23:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Teachers Diary]]></category>
		<category><![CDATA[Teacher Related]]></category>
		<category><![CDATA[Teachers Diary in Bengali]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://rajdeeppaulofficial.in/?p=97</guid>

					<description><![CDATA[<p>এই আর্টিকেলটি সম্মানীয় সকল&#160;শিক্ষক-শিক্ষিকাগনদের সহায়তার&#160;জন্য তৈরি করা হয়েছে । এই আর্টিকেলটিতে&#160;কিভাবে বাংলা ভাষায় টিচার্স ডায়রি (Teachers Diary in Bengali Language) তৈরী করা যায় তার একটি&#160; ডেমো তৈরী করে দেওয়া আছে এবং&#160;আমি আশা রাখি যে, ডেমো টিচার্স ডায়রির&#160;এই আর্টিকেলটি পড়লে আপনারা খুব সহজেই নিজের মতো করে বাংলা ভাষায় টিচার্স ডায়রি তৈরী করতে&#160;পারবেন ।&#160; এই আর্টিকেলটিতে টিচার্স ... <a title="How to Write Teachers Diary in Bengali.. বাংলা ভাষায় টিচার্স ডায়রি কিভাবে তৈরী করবেন" class="read-more" href="https://rajdeeppaulofficial.in/teachers-diary-in-bengali/" aria-label="Read more about How to Write Teachers Diary in Bengali.. বাংলা ভাষায় টিচার্স ডায়রি কিভাবে তৈরী করবেন">Read more</a></p>
<p>The post <a href="https://rajdeeppaulofficial.in/teachers-diary-in-bengali/">How to Write Teachers Diary in Bengali.. বাংলা ভাষায় টিচার্স ডায়রি কিভাবে তৈরী করবেন</a> appeared first on <a href="https://rajdeeppaulofficial.in">RajdeepPaulOfficial.in</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>এই আর্টিকেলটি সম্মানীয় সকল&nbsp;শিক্ষক-শিক্ষিকাগনদের সহায়তার&nbsp;জন্য তৈরি করা হয়েছে । এই আর্টিকেলটিতে&nbsp;কিভাবে বাংলা ভাষায় টিচার্স ডায়রি (Teachers Diary in Bengali Language) তৈরী করা যায় তার একটি&nbsp; ডেমো তৈরী করে দেওয়া আছে এবং&nbsp;আমি আশা রাখি যে, ডেমো টিচার্স ডায়রির&nbsp;এই আর্টিকেলটি পড়লে আপনারা খুব সহজেই নিজের মতো করে বাংলা ভাষায় টিচার্স ডায়রি তৈরী করতে&nbsp;পারবেন ।&nbsp;</p>



<p>এই আর্টিকেলটিতে টিচার্স ডায়রির যে ডেমো তৈরী করে দেওয়া আছে সেটি আসাম সরকারের শিক্ষা দফতরের দেওয়া ফরমেট অনুযায়ী তৈরী করা হয়েছে, তাই এটি আসাম রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষিকাগনদের&nbsp;জন্য বেশি উপযোগী হবে । কিন্তু এই ডেমো&nbsp;দেখে&nbsp;যে শুধু আসাম রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষিকাগনরাই বাংলা ভাষায়&nbsp;টিচার্স ডায়েরি (Teachers Diary in Bengali Language) তৈরী করতে পারবেন এমন নয়। টিচার্স ডায়রির এই ডেমোটি এমন ভাবে তৈরী করা হয়েছে যে এটি দেখে অন্য যে কোনো রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষিকাগনরাও খুব সহজেই নিজেদের মতো করে নিজেদের বিদ্যালয়ে করা ক্রিয়াকলাপ অনুযায়ী Teachers Diary in&nbsp;Bengali Language এ তৈরী করতে পারবেন।</p>



<h2 class="wp-block-heading">TEACHER&#8217;S DIARY কি ?</h2>



<p>Teacher&#8217;s Diary মানে&nbsp;হলো শিক্ষকদের দৈনিক দিনপঞ্জি, এর অর্থ হলো&nbsp;&nbsp;প্রতিজন শিক্ষক শিক্ষিকা প্রতিদিন বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান থেকে শুরু করে, শিক্ষকতা সম্পর্কিত যা যা করবেন সবকিছু একটি ডায়েরিতে লিখে রাখতে হবে। এমনকি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভা, অভিভাবকদের নিয়ে সভা, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাগনদের&nbsp;&nbsp;সাধারণ সভা&nbsp;ইত্যাদি বা ক্লাস্টার লেভেল, ব্লক লেভেল, ডিস্ট্রিক্ট লেভেল কোনো মিটিং, ট্রেনিং বা প্রোগ্রামে উপস্থিত থাকলে বা অংশগ্রহণ করলেও তা একটি নির্দিষ্ট ডায়রিতে লিখে রাখতে হবে আর যে ডায়রীতে লিখে রাখতে হবে সেটি হলো Teacher&#8217;s Diary.</p>



<p>অনেকে টিচার্স ডায়রিতে শুধুমাত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনের পাঠদান সম্পর্কিত তথ্যই লিখে রেখে থাকেন কিন্তু এটি টিচার্স ডায়রি হিসাবে পর্যাপ্ত হয়ে উঠে না কারণ টিচার্স ডায়রিতে শিক্ষকগনদের প্রতিদিনের দিনলিপির কথা উল্লেখ করতে হয় আর আপনারা সকলেই জানেন যে এখন শিক্ষকগণ শিক্ষকতা ছাড়াও আরও অনেক মাল্টিটাস্কিংও করে থাকেন। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করার পাশাপাশি শিক্ষকগনদের অনেকসময়ই শিক্ষাদফতরের নির্দেশে ইলেকশন ডিউটি, এনআরসি ডিউটি, লোকগণনা, বিভিন্ন ধরণের সার্ভে ইত্যাদির মতো&nbsp;অনেক ধরণের কাজও করতে হয়।&nbsp;</p>



<p>তাই শিক্ষক-শিক্ষিকাগনদের প্রতিদিনের বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপগুলির প্রকৃত তথ্য সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করে রাখার জন্য টিচার্স ডায়রিতে&nbsp;শিক্ষার্থীদের পাঠদান করার তথ্য লিখার&nbsp;পাশাপাশি&nbsp;&nbsp;শিক্ষকগনদের দ্বারা কৃত অন্যান্য&nbsp;সকল কাজের বিষয়েও লিখে রাখা খুব বেশি প্রয়োজন। এর দ্বারা শিক্ষক-শিক্ষিকাগন নিজেদের প্রতিদিনের ক্রিয়াকলাপগুলির ট্র্যাকিং করতেও পারবেন আর ডিস্ট্রিক্ট বা ব্লক লেভেল কেউ বিদ্যালয় পরিদর্শন করতে আসলেও প্রয়োজনে সেটা তাদের দেখাতেও পারবেন।</p>



<h2 class="wp-block-heading">TEACHER&#8217;S DIARY কেন তৈরী করবেন ?</h2>



<p>আপনারা সকলেই জানেন যে অসম সরকারের শিক্ষা দফতর&nbsp;গত&nbsp; ১২/০৭/২০১৯ তারিখে একটি নোটিফিকেশন জারি করেছিল যেটাতে লিখা ছিল&nbsp;যে সকল শিক্ষকদের Teacher&#8217;s Diary মেইনটেইন&nbsp;করতে হবে, তো সেই কারণে শিক্ষা দফতরের নির্দেশতো মানতেই হবে আর এছাড়াও&nbsp;আপনারা জানেন যে পরবর্তী গুণোৎসবে&nbsp;এই Teacher&#8217;s Diary এর খুব বেশি দরকার পড়বে, External Evaluator&nbsp; অবশ্যই আপনাদের&nbsp;Teacher&#8217;s Diary দেখতে চাইবেন আর না পেলে তো বুঝতেই পারছেন কি করবেন। এছাড়াও ক্লাস্টার লেভেল, ব্লক লেভেল বা ডিস্ট্রিক্ট লেভেল কেউ স্কুল পরিদর্শনে আসলেও এই Teacher&#8217;s Diary দেখতে চাইবেন আর না পেলে তো Show Cause নোটিশ ও আসতে পারে আপনার নামে।</p>



<p><a href="https://en.wikipedia.org/wiki/The_Teacher%27s_Diary" target="_blank" rel="noreferrer noopener">Teachers Diary</a> মেইনটেইন করার মাধ্যমে&nbsp;আপনি নিজেও কোন মাসের কোন তারিখে আপনি&nbsp;কি করেছিলেন সেটা খুব সহজেই ট্র্যাকিং করতে পারবেন। তাই প্রতিজন শিক্ষক শিক্ষিকার টিচার্স ডায়রি মেইনটেইন করার অভ্যাস করা সঠিক হবে বলে আমার মনে হয়।</p>



<h2 class="wp-block-heading">TEACHER&#8217;S DIARY কিভাবে তৈরী করবেন (Teachers Diary in Bengali Language) ?&nbsp;</h2>



<p>অসম সরকারের শিক্ষা বিভাগ&nbsp;গত&nbsp; ১২/০৭/২০১৯ তারিখে যে নোটিফিকেশন জারি করে এটা জানিয়েছিল যে সকল শিক্ষক-শিক্ষিকাগনদের Teacher&#8217;s Diary মেইনটেইন&nbsp;করতে হবে সেই অর্ডার নোটিফিকেশন এর সঙ্গে শিক্ষা দফতর&nbsp;থেকে একটা টিচার্স ডাইরীর FORMAT ও দেওয়া হয়েছিল। তো সেই ফরম্যাটে বাংলা ভাষায় কিভাবে আপনারা টিচার্স ডায়রি তৈরী করতে&nbsp;পারেন তার একটি ডেমো নিচে&nbsp;দেওয়া আছে, সেই ডেমো দেখে&nbsp;&nbsp;আপনারা নিজের মতো করে টিচার্স ডায়রি তৈরী করতে পারবেন বলে আমার মনে হয়।&nbsp;</p>



<p>এছাড়াও এখানে নিচে দেওয়া ভিডিও লিংকে ক্লিক&nbsp;করে আপনারা&nbsp;আসাম সরকারের শিক্ষা বিভাগের&nbsp;দেওয়া ওই অর্ডার নোটিফিকেশনটি এবং টিচার্স ডায়রির ফরমেট টিও&nbsp;দেখতে পারবেন এবং সেইসঙ্গে ওই ফরম্যাটে Bengali language এ Teachers Diary কিভাবে লিখতে পারেন সেটার ধারণাও পেয়ে যাবেন।&nbsp;</p>



<p>আমি টিচার্স ডায়রির ফরমেট টি তৈরী করে এখানে দিয়েছি, আপনারা চাইলে এখান থেকে টিচার্স ডায়রির ফরমেট টি ডাউনলোড করে প্রিন্টআউট করে সেগুলি দিয়ে টিচার্স ডায়রি তৈরী করতে পারবেন।</p>



<p> </p>



<h2 class="wp-block-heading">Bengali Language এর&nbsp;Teachers Diary ডেমোটি হলো নিম্নরূপ :-</h2>



<p> </p>



<p> </p>



<h3 class="has-text-align-center has-white-color has-vivid-cyan-blue-background-color has-text-color has-background wp-block-heading">শিক্ষকদের দৈনিক বিদ্যালয়ের ক্রিয়াকলাপের রেকর্ড</h3>



<p>শিক্ষকের নাম:- রাজদীপ পাল<br>বিদ্যালয়ের নাম:- &#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;.<br>বিদ্যালয়ের ডাইস কোড:- ১৮ooooooooo০২<br>জেলার নাম:- &#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;.<br>ব্লকের নাম:- &#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;..<br>ক্লাস্টারের নাম:- &#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;<br>বিদ্যালয়ের মিডিয়াম:- বাংলা</p>



<figure class="wp-block-table"><table class="has-background" style="background-color:#fcf0ef"><thead><tr><th><strong><span class="has-inline-color has-vivid-red-color">মাস</span></strong></th><th><span class="has-inline-color has-vivid-red-color">তারিখ</span></th><th><span class="has-inline-color has-vivid-red-color">কার্যকলাপ</span></th><th><span class="has-inline-color has-vivid-red-color">মন্তব্য</span></th></tr></thead><tbody><tr><td>নভেম্বর</td><td>০১.১১.২০১৯</td><td>১. সকালের সমাবেশে অংশগ্রহণ করি<br>২. জাম্বলড ওয়ার্ড বিষয়ক ভাষা ক্লাস (ইংরেজি) চতুর্থ শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল<br>৩. <a href="https://rajdeeppaulofficial.in/what-is-tense-details-about-tense/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">বাক্য তৈরির</a> বিষয়ে ভাষা ক্লাস (বাংলা) পঞ্চম শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল<br>৪. পরের দিনের জন্য পাঠ পরিকল্পনা প্রস্তুতি।</td><td>২. দলীয় কার্যকলাপ দেওয়া হয়</td></tr><tr><td>নভেম্বর</td><td>০৪.১১.২০১৯</td><td>১. সকালের সমাবেশে অংশগ্রহণ করি<br>২. কবিতা বিষয়ক ভাষার ক্লাস (ইংরেজি) চতুর্থ শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল<br>৩. গুণ অংকের উপর গণিত ক্লাস তৃতীয় শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল<br>৪. পরের দিনের জন্য পাঠ পরিকল্পনা প্রস্তুতি।</td><td>৩. শ্লথ শিক্ষার্থীদের ওপর অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়</td></tr><tr><td>নভেম্বর</td><td>০৫.১১.২০১৯</td><td>১. সকালের সমাবেশে অংশগ্রহণ করি<br>২. কবিতা আবৃত্তির বিষয়ে ভাষা ক্লাস (ইংরেজি) চতুর্থ শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল<br>৩. &#8220;সুধাকণ্ঠ দিবস&#8221; উদযাপন করা হয় ।<br>৪. পরের দিনের জন্য পাঠ পরিকল্পনা প্রস্তুতি।</td><td>২. গত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত সহায়তা প্রদান করা হয়</td></tr><tr><td>নভেম্বর</td><td>০৬.১১.২০১৯</td><td>১. সকালের সমাবেশে অংশগ্রহণ করি<br>২. কবিতা বিষয়ক ভাষা ক্লাস (বাংলা) চতুর্থ শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল<br>৩. গদ্যের উপর ভাষা ক্লাস (বাংলা) পঞ্চম শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল<br>৪. পরের দিনের জন্য পাঠ পরিকল্পনা প্রস্তুতি।</td><td>২. গত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত সহায়তা প্রদান করা হয়<br>৩. শ্লথ শিক্ষার্থীদের ওপর অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়</td></tr><tr><td>নভেম্বর</td><td>০৭.১১.২০১৯</td><td>১. সকালের সমাবেশে অংশগ্রহণ করি<br>২. কবিতাটির শব্দভাণ্ডারের উপর ভাষা ক্লাস (বাংলা) চতুর্থ শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল<br>৩. গদ্যের শব্দভাণ্ডারের উপর ভাষা ক্লাস (বাংলা) পঞ্চম শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল<br>৪. পরের দিনের জন্য পাঠ পরিকল্পনা প্রস্তুতি।</td><td>৩. গত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত সহায়তা প্রদান করা হয়</td></tr><tr><td>নভেম্বর</td><td>০৮.১১.২০১৯</td><td>১. সকালের সমাবেশে অংশগ্রহণ করি<br>২. কবিতা প্রশ্নাবলীর উপর ভাষা ক্লাস (বাংলা) চতুর্থ শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল<br>৩. সংখ্যালঘু বৃত্তির জন্য আবেদন করা শিক্ষার্থীদের নাম নিবন্ধিত এবং অনলাইনে ভেরিফিকেশন করা হয় । <br>৪. পরের দিনের জন্য পাঠ পরিকল্পনা প্রস্তুতি।<br>৫. সংখ্যালঘু বৃত্তির তথ্য জমা দিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গিয়েছিলাম।</td><td>২. গত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত সহায়তা প্রদান করা হয়</td></tr><tr><td>নভেম্বর</td><td>০৯.১১.২০১৯</td><td>১. সকালের সমাবেশে অংশগ্রহণ করি<br>২. সকল শ্রেণিতে &#8220;শনিবার ক্লাব ক্রিয়াকলাপ&#8221; এর অধীনে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।<br>৩. পরের দিনের জন্য ক্লাস লেনদেনের প্রস্তুতি<br>৪. ক্লাস্টার স্তরের সভায় অংশ নেই।</td><td>২. বিভিন্ন দলীয় কার্যকলাপ শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়</td></tr><tr><td>নভেম্বর</td><td>১১.১১.২০১৯</td><td>১. সকালের সমাবেশে অংশগ্রহণ করি<br>২. কবিতা প্রশ্নাবলীর উপর ভাষা ক্লাস (বাংলা) চতুর্থ শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল<br>৩. গুণ অংকের উপর গণিত ক্লাস তৃতীয় শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল<br>৪. “রাষ্ট্রীয় শিক্ষা দিবস” উদযাপন করা হয়।<br>৫. পরের দিনের জন্য ক্লাস লেনদেনের প্রস্তুতি।</td><td>৩. গত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা শিক্ষার্থীদের এবং শ্লথ শিক্ষার্থীদের ওপর অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়</td></tr><tr><td>নভেম্বর</td><td>১৩.১১.২০১৯</td><td>১. সকালের সমাবেশে অংশগ্রহণ করি<br>২. কবিতা শব্দভাণ্ডারের উপর ভাষা ক্লাস (ইংরেজি) চতুর্থ শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল<br>৩. কবিতা প্রশ্নাবলীর উপর ভাষা ক্লাস (বাংলা) পঞ্চম শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল।<br>৪. পরের দিনের জন্য পাঠ পরিকল্পনা প্রস্তুতি।</td><td>২. শিশুদের দ্বারা অভিধান ব্যবহারের অনুশীলন করানো হয়</td></tr><tr><td>নভেম্বর</td><td>১৪.১১.২০১৯</td><td>১. সকালের সমাবেশে অংশগ্রহণ করি<br>২. কবিতা রাইমিং শব্দগুলির উপর ভাষা ক্লাস (ইংরেজি) চতুর্থ শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল<br>৩. &#8220;শিশু দিবস&#8221; উদযাপন করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের জন্য কুইজ প্রতিযোগিতার মতো বিভিন্ন ধরণের দলীয় ক্রিয়াকলাপ এবং খেলার আয়োজন করা হয়।<br>৪. পরের দিনের জন্য পাঠ পরিকল্পনা প্রস্তুতি।</td><td>৩. বিভিন্ন দলীয় কার্যকলাপ শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়</td></tr><tr><td>নভেম্বর</td><td>১৫.১১.২০১৯</td><td>১. সকালের সমাবেশে অংশগ্রহণ করি<br>২. কবিতা প্রশ্নাবলীর উপর ভাষা ক্লাস (ইংরেজি) চতুর্থ শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল<br>৩. গুণ অংকের উপর গণিত ক্লাস তৃতীয় শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছিল<br>৪. পরের দিনের জন্য পাঠ পরিকল্পনা প্রস্তুতি।</td><td>৩. গত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা শিক্ষার্থীদের এবং শ্লথ শিক্ষার্থীদের ওপর অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়</td></tr></tbody></table></figure>



<p><strong>আসাম সরকারের শিক্ষা দফতরের দেওয়া অর্ডার নোটিফিকেশন এবং টিচার্স ডায়রির ফরম্যাটটি দেখার জন্য নিচের ভিডিও টি দেখতে পারেন </strong>:-</p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="Teacher&#039;s Diary (Bengali) on Govt. Provided Format | Download Free PDF | 2019" width="825" height="464" src="https://www.youtube.com/embed/Q4VlCApHSqQ?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>



<p>আর্টিকেলটি সম্পূর্ণরূপে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।&nbsp;আর্টিকেলটি ভালো লাগলে এবং সহায়তা মূলক মনে হলে&nbsp;অবশ্যই শেয়ার করবেন।</p>



<p> </p>
<p>The post <a href="https://rajdeeppaulofficial.in/teachers-diary-in-bengali/">How to Write Teachers Diary in Bengali.. বাংলা ভাষায় টিচার্স ডায়রি কিভাবে তৈরী করবেন</a> appeared first on <a href="https://rajdeeppaulofficial.in">RajdeepPaulOfficial.in</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://rajdeeppaulofficial.in/teachers-diary-in-bengali/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>How to Clear CTET Exam in First Attempt &#124;&#124; 5 easy and simple strategies.</title>
		<link>https://rajdeeppaulofficial.in/how-to-clear-ctet-exam-in-first-attempt/</link>
					<comments>https://rajdeeppaulofficial.in/how-to-clear-ctet-exam-in-first-attempt/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Rajdeep Paul]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 01 Mar 2019 06:34:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Exam Preparations]]></category>
		<category><![CDATA[CTET]]></category>
		<category><![CDATA[Teacher Eligibility Test]]></category>
		<category><![CDATA[Teacher Related]]></category>
		<category><![CDATA[TET]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://rajdeeppaulofficial.in/?p=284</guid>

					<description><![CDATA[<p>আমরা সকলেই জানি যে বর্তমান সময়ে শিক্ষক হতে চাইলে টেট অর্থাৎ টিচার্স এলিজিবিলিটি টেস্ট পরীক্ষাটি&#160;পাস করা বাধ্যতামূলক। টেট বা টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট দুই ধরণের হয়, একটি হলো রাজ্যিক টেট&#160;যা প্রতিটি রাজ্যে হয়ে থাকে রাজ্য সরকারের অধীনস্থ বিদ্যালয় গুলোতে শিক্ষক নিয়োগ করার&#160;জন্য এবং অন্যটি হলো কেন্দ্রীয় টেট (CTET) যা প্রতিবছর দুইবার হয়ে থাকে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ ... <a title="How to Clear CTET Exam in First Attempt &#124;&#124; 5 easy and simple strategies." class="read-more" href="https://rajdeeppaulofficial.in/how-to-clear-ctet-exam-in-first-attempt/" aria-label="Read more about How to Clear CTET Exam in First Attempt &#124;&#124; 5 easy and simple strategies.">Read more</a></p>
<p>The post <a href="https://rajdeeppaulofficial.in/how-to-clear-ctet-exam-in-first-attempt/">How to Clear CTET Exam in First Attempt || 5 easy and simple strategies.</a> appeared first on <a href="https://rajdeeppaulofficial.in">RajdeepPaulOfficial.in</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>আমরা সকলেই জানি যে বর্তমান সময়ে শিক্ষক হতে চাইলে টেট অর্থাৎ <strong>টিচার্স এলিজিবিলিটি টেস্ট</strong> পরীক্ষাটি&nbsp;পাস করা বাধ্যতামূলক। <strong>টেট</strong> বা টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট দুই ধরণের হয়, একটি হলো রাজ্যিক টেট&nbsp;যা প্রতিটি রাজ্যে হয়ে থাকে রাজ্য সরকারের অধীনস্থ বিদ্যালয় গুলোতে শিক্ষক নিয়োগ করার&nbsp;জন্য এবং অন্যটি হলো <strong>কেন্দ্রীয় টেট</strong> (CTET) যা প্রতিবছর দুইবার হয়ে থাকে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ বিদ্যালয়সমূহতে শিক্ষক নিয়োগ করার জন্য।&nbsp;</p>



<p>আজ আমি এই আর্টিকেল এর মধ্যে পাঁচটি সহজ কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে <strong>কিভাবে প্রথম প্রয়াসেই কেন্দ্রীয় টেট পরীক্ষায় সাফল্য পাওয়া যায় (How to Clear CTET Exam in First Attempt with 5 easy and simple strategies</strong>) সে বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে বলবো, কারণ কেন্দ্রীয় টেট (<strong>CTET</strong>) পাস করা প্রার্থীরা অনেকসময় রাজ্য সরকারের অধীনস্থ বিদ্যালয়গুলোতেও নিয়োগ পেতে পারেন কিন্তু রাজ্যিক টেট পাস করা কোনো প্রার্থীই কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ বিদ্যালয়গুলোতে নিয়োগ পেতে পারেন না, কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ বিদ্যালয় গুলোতে শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় টেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক।</p>



<h2 class="wp-block-heading">CTET Examination Details</h2>



<p>CTET বা কেন্দ্রীয় <strong>শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষা</strong> হলো <a href="https://cbse.nic.in/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড অর্থাৎ&nbsp;Central Board of Secondary Education (CBSE)</a> এর দ্বারা আয়োজিত একটি <strong>শিক্ষক নিযুক্তি পরীক্ষা</strong> যা কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা বিদ্যালয় সমূহ যেমন কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় (Kendriya Vidyalaya), <a href="https://navodaya.gov.in/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">জওহর নভোদায় বিদ্যালয় (Jawahar Navodaya Vidyalaya)</a>, কেন্দ্রীয় তিব্বতীয় বিদ্যালয় (Central Tibetan Schools), এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির (প্রশাসনিক অঞ্চল) প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন বিদ্যালয় (schools under the administrative control of the union territories) গুলোতে প্রথম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত অধ্যনরত শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদান করার জন্য শিক্ষক নিয়োগ করার উদ্দেশে প্রতি বছর দুইবার নেওয়া হয়ে থাকে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">Exam Pattern of Central Teacher Eligibility Test (CTET)</h2>



<p>CTET বা কেন্দ্রীয় শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষায় পেপার-I&nbsp; এবং পেপার-II এই দুই ধরণের পেপার থাকে, এর মধ্যে পেপার-I&nbsp; টি হলো সেইসব প্রার্থীদের জন্য যারা নিম্ন-প্রাথমিক অর্থাৎ প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের শ্রেণিশিক্ষক হতে চান এবং পেপার-II&nbsp; টি হলো সেইসব প্রার্থীদের জন্য যারা উচ্চ-প্রাথমিক অর্থাৎ ষষ্ঠ&nbsp;শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের শ্রেণিশিক্ষক হতে চান।&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading">Subject Details of Central Teacher Eligibility Test</h2>



<p>CTET বা কেন্দ্রীয় শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষায় পেপার-I&nbsp; এবং পেপার-II এই দুই ধরণের পেপারের প্রতিটিতেই পাঁচটি করে বিষয় বা সাবজেক্ট&nbsp;থাকে। এর মধ্যে পেপার-I এ সকল&nbsp;প্রার্থীদের পাঁচটি বিষয়েরই বাধ্যতামূলক ভাবে পরীক্ষা দিতে হয় কিন্তু অপরদিকে পেপার-II তে সকল প্রার্থীদের প্রথম তিনটি বাধ্যতামূলক বিষয়ের সঙ্গে&nbsp;চতুর্থ ও পঞ্চম বিষয়ের মধ্যে যেকোনো একটি বিষয় বেছে নিতে হয়। কেন্দ্রীয় শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষায় থাকা বিষয়গুলির বর্ণনা নিম্নরূপ-</p>



<h3 class="wp-block-heading">পেপার-১</h3>



<ol class="wp-block-list"><li>শিশুর বিকাশ এবং শিক্ষন বিজ্ঞান (Child Development and Pedagogy) &#8211; বাধ্যতামূলক বিষয়&nbsp;</li><li>ভাষা &#8211; ১ (বাংলা/ হিন্দি/ অসমীয়া ইত্যাদি) &#8211; বাধ্যতামূলক বিষয়</li><li>ভাষা &#8211; ২ (ইংরেজি) &#8211; বাধ্যতামূলক বিষয়</li><li>গণিত (Mathematics) &#8211; বাধ্যতামূলক বিষয়</li><li>পরিবেশ অধ্যয়ন (Environmental Studies)&nbsp;&#8211; বাধ্যতামূলক বিষয়</li></ol>



<h3 class="wp-block-heading">পেপার-২</h3>



<ol class="wp-block-list"><li>শিশুর বিকাশ এবং শিক্ষন বিজ্ঞান (Child Development and Pedagogy) &#8211; বাধ্যতামূলক বিষয়&nbsp;</li><li>ভাষা &#8211; ১ (বাংলা/ হিন্দি/ অসমীয়া ইত্যাদি) &#8211; বাধ্যতামূলক বিষয়</li><li>ভাষা &#8211; ২ (ইংরেজি) &#8211; বাধ্যতামূলক বিষয়</li><li>সমাজ বিজ্ঞান/ সমাজ অধ্যয়ন&nbsp;(Social Science/Social Studies) &#8211; সেই সকল প্রার্থীদের জন্য যারা সমাজ বিজ্ঞান/ সমাজ অধ্যয়ন&nbsp;বিষয়ের শিক্ষক হতে চায়।</li><li>গণিত এবং বিজ্ঞান&nbsp;(Mathematics and Science)&nbsp;&#8211; সেই সকল প্রার্থীদের জন্য যারা গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক হতে চায়।&nbsp;</li></ol>



<h2 class="wp-block-heading">Time Duration and Marks Details of&nbsp;Central Teacher Eligibility Test (CTET)</h2>



<p>CTET বা <strong>কেন্দ্রীয় শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষায়</strong> পেপার-I&nbsp; এবং পেপার-II এই দুই ধরণের পেপারের প্রতিটিতেই ১৫০ মিনিট বা আড়াই ঘন্টা সময় থাকে এবং দুইটি পেপারের প্রতিটিতেই ১৫০ টি মাল্টিপল চয়েস টাইপ প্রশ্ন থাকে এবং প্রতিটি প্রশ্ন এক&nbsp;মার্কের থাকে অর্থাৎ মোট ১৫০ মার্ক থাকে। CTET পরীক্ষায় ভুল উত্তর দিলেও কোনো নিগেটিভ মার্কিং থাকে না। পেপার- ১ এ&nbsp;পাঁচটি বিষয় বা&nbsp;সাবজেক্ট&nbsp;থাকে এবং প্রতিটি বিষয়ে ৩০ টি করে এক মার্কের মাল্টিপল চয়েস টাইপ প্রশ্ন দেওয়া থাকে অর্থাৎ পাঁচটি বিষয়ে মোট ১৫০ টি এক মার্ক এর প্রশ্ন থাকে। কিন্তু পেপার- ২ তে প্রথম তিনটি বাধ্যতামূলক বিষয়ে ৩০ টি করে এক মার্ক এর প্রশ্ন দেওয়া থাকে অর্থাৎ তিনটি বিষয়ে মোট ৯০ টি এক মার্ক এর প্রশ্ন থাকে এবং বাকি থাকা ৬০ মার্ক গণিত ও বিজ্ঞান বিষয় এবং সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ের প্রতিটিতে দেওয়া থাকে। যারা&nbsp;গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়&nbsp;এর শিক্ষক হতে চান তাদের জন্য গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে ৬০ টি এক মার্ক এর প্রশ্ন থাকে এবং যারা সমাজ বিজ্ঞান বা সমাজ অধ্যয়ন&nbsp;বিষয়ের শিক্ষক হতে চান তাদের জন্য সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ে ৬০ টি এক মার্ক এর প্রশ্ন দেওয়া থাকে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">How to Clear CTET Examination in First Attempt with 5 Easy and Simple Strategies</h2>



<p>আমরা আমাদের জীবনে যখন যাই পরীক্ষা দেই&nbsp;না কেন আমরা সেটা সাফল্য পাওয়ার জন্য দিয়ে থাকি আর যদি সেটা কোনো চাকুরীতে নিযুক্তি পাওয়ার জন্য নেওয়া কোনো পরীক্ষা থাকে তখন তো আমরা আরও বেশি পড়াশুনা করে&nbsp;পরীক্ষা দিয়ে থাকি যাতে আমরা সেই পরীক্ষাটিতে&nbsp;সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হতে পারে। <strong>Central Teacher Eligibility Test</strong> বা কেন্দ্রীয় <strong>শিক্ষকের যোগ্যতা নিরূপক পরীক্ষা</strong> হলো একটি&nbsp;শিক্ষক নিযুক্তি সম্পর্কিত পরীক্ষা এবং তাই শিক্ষক হতে চাওয়া&nbsp;সকল প্রার্থীরাই এই পরীক্ষাটিতে&nbsp;প্রথম প্রয়াসেই সাফল্য পেতে চায়। তো এখন আমরা এটা জানবো&nbsp;যে কিভাবে পাঁচটি&nbsp; কৌশল অবলম্বন করে প্রথম প্রয়াসেই CTET পরীক্ষায় সাফল্য পাওয়া যায়।</p>



<h3 class="has-text-align-center has-black-color has-vivid-cyan-blue-background-color has-text-color has-background wp-block-heading">সময়সূচি (Time Table)</h3>



<p>আমরা আমাদের জীবনে যখনই যাই পরীক্ষা দেই না কেনো, সফলতা পাওয়ার জন্য আমাদের সর্বদাই একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে পড়াশুনা করা প্রয়োজন কারণ তখন আমরা আমাদের অগ্রগতির বিষয়ে অবগত হতে পারি। CTET বা কেন্দ্রীয় শিক্ষকের যোগ্যতা নিরূপক পরীক্ষাও তার ব্যতিক্রম কিছু নয়, কেন্দ্রীয় টেট পরীক্ষায় প্রথম প্রয়াসে সাফল্য পেতে চাইলে আমাদের প্রথমে যে কাজটি করতে হবে সেটি হলো আমাদের একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি তৈরী করতে হবে এবং সেই সময়সূচি মেনে প্রতিদিন পড়াশুনা করতে হবে। </p>



<p>এবার প্রশ্ন হলো সময়সূচি কিভাবে তৈরী করতে হবে, আমরা অনেকেই কোনো পরীক্ষার আগে এটা ভেবে নেই যেই একটি সুন্দর সময়সূচি তৈরী করবো এবং রোজ ওই সময়সূচি মেনে পড়াশুনা করব কিন্তু আমাদের মধ্যে অনেকেই সেটা করতে পারেন না কারণ তারা এটা বুঝতে পারেন না যে কোন বিষয়ের জন্য প্রতিদিন কত সময় দেবেন। তাই আজ আমি এখানে CTET পরীক্ষায় সাফল্য পাওয়ার জন্য সময়সূচি বা টাইম টেবিল কিভাবে তৈরী করতে হবে তার একটি স্বচ্ছ ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করবো যাতে আপনারা সবাই কোন বিষয়ের পড়াশুনায় রোজ কতসময় ব্যয় করবেন তা নিজেরাই বুঝে নিতে পারেন।</p>



<p>কোনো পরীক্ষার পড়াশুনা করার জন্য একটি সুন্দর সময়সূচি তৈরী করার&nbsp;সবথেকে ভালো এবং সঠিক উপায় হলো প্রথমে সেই পরীক্ষায় সর্বমোট কয়টি বিষয় বা সাবজেক্ট&nbsp;আছে সেটা দেখে নেওয়া এবং সেই সবকটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে সুন্দর এবং সঠিক সময়সূচি তৈরী করা। এছাড়াও কোনো পরীক্ষার পড়াশুনার জন্য সময়সূচি তৈরী করতে হয় সেই পরীক্ষায় থাকা বিষয় গুলির উপর আপনাদের সবলতা এবং দুর্বলতার উপর ভিত্তি করে অর্থাৎ কোন বিষয়ে আপনি তুলনামূলকভাবে পারদর্শী এবং কোন বিষয়ে আপনি তুলনামূলকভাবে দুর্বল সেটার উপর ভিত্তি করে।&nbsp;<strong>সিটেট</strong> পরীক্ষার ক্ষেত্রেও সেটাই করতে হয়, <strong>CTET</strong> পরীক্ষায় মোট পাঁচটি বিষয় থাকে, ধরে নিন এই পাঁচটি বিষয় এর মধ্যে দুইটি বিষয়ে আপনি তুলনামূলকভাবে অনেকটা বেশি পারদর্শী কিন্তু বাকি থাকা তিনটি বিষয়ে আপনি অনেকটা দুর্বল, এক্ষেত্রে আপনার পড়াশুনার সময়সূচিটা এরকম হওয়া উচিত যাতে আপনার দুর্বলতা থাকা বিষয়গুলোতে প্রতিদিন আপনাকে এক ঘন্টা করে মোট তিন ঘন্টা সময় দিতে হবে এবং বাকি থাকা যে দুইটি বিষয়ে আপনি অনেক কিছু জানেন সেই বিষয়গুলোতে আধা ঘন্টা করে সময় দিলেও চলবে তবে এই সময়সূচিটি মেনে&nbsp;আপনাকে কমকরেও এক থেকে দুই মাস পর্যন্ত খুব মনোযোগ সহকারে পড়াশুনা করতে হবে কারণ পড়াশুনা না করলে কেউ কোনো পরীক্ষায়ই সফলতা অর্জন করতে পারে না। আর তাই প্রথম প্রয়াসেই CTET পরীক্ষায় সাফল্য পেতে চাইলে এক থেকে দুইমাসের জন্য প্রতিদিন এই সময়টুকু দিয়ে পড়াশুনা করাটা বাধ্যতামূলক বলে ধরে নিতে পারেন। পড়াশুনা কিভাবে করবেন বা কি কি বিষয় পড়বেন&nbsp;তা নিচের পয়েন্টে বুঝিয়ে দেব।&nbsp;</p>



<h3 class="has-text-align-center has-black-color has-vivid-cyan-blue-background-color has-text-color has-background wp-block-heading">কি ধরণের প্রশ্নোত্তর পড়তে হবে&nbsp;</h3>



<p>পরীক্ষাটা যে ধরণেরই হোক না কেনো, সেই পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য আমরা কি পড়বো, কোন কোন টপিক পড়বো, কি কি প্রশ্নোত্তর পড়লে তা পরীক্ষায় আসবে এই সব চিন্তা অনেক সময় আমাদের মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। CTET পরীক্ষার ক্ষেত্রেও সেটাই হয়, CTET পরীক্ষা দেওয়ার আগেও&nbsp;প্রায় সকল প্রার্থীরা এটাই ভেবে থাকেন যে <strong>কি কি প্রশ্নোত্তর পড়লে প্রথম প্রয়াসেই CTET পরীক্ষায় সাফল্য পাওয়া যাবে।</strong> তো আমি এখানে এই আর্টিকেলটিতে এই সমস্যার কিছুটা হলেও সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করবো।পরীক্ষার জন্য যাকিছু পড়ার সেগুলো&nbsp;পড়তে তো হবে আপনাদেরকেই সেখানে আমার কিছু করার নেই কিন্তু আমি এখানে এমন কিছু সহজ উপায় নিয়ে আলোচনা করবো যার দ্বারা আপনারা&nbsp;প্রথমে কি কি পড়তে হবে এবং কিভাবে পড়তে হবে তার একটি সহজ ধারণা পেয়ে যাবেন।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>প্রথমে পূর্বে হয়ে যাওয়া&nbsp;পাঁচ বা ছয় টি কেন্দ্রীয় TET পরীক্ষার প্রশ্নপত্র জোগাড় করুন এবং এই প্রশ্নপত্র গুলো নিয়ে সেগুলি মনোযোগ সহকারে দেখুন। এবার&nbsp;প্রতিটি প্রশ্নপত্রের মধ্যে যে পাঁচটি বিষয়ের প্রশ্ন থাকে সেই&nbsp;সবকটি বিষয়ের প্রত্যেকটি বিষয়ে যে ৩০ টি প্রশ্ন দেওয়া আছে এই প্রশ্নগুলো&nbsp;সিলেবাসের&nbsp;কোন কোন অংশ থেকে এসেছে সেটা খুঁজে দেখুন এবং সেগুলি লিখে রাখুন। এছাড়াও সবকটি প্রশ্নপত্রে ছিল বিদ্যমান ছিল&nbsp;এমন প্রশ্নগুলোও খুঁজে লিখে রাখুন।&nbsp;বিশ্বাস করুন এই কাজগুলো করতে খুব বেশি সময় লাগবে না কিন্তু এই কাজগুলো করার কারণে যখন আপনি পরীক্ষায় বসবেন তখন বিশেষ ভাবে উপকৃত হবেন। এবার সিলেবাসের যে যে অংশ থেকে প্রতিবার অধিক প্রশ্ন এসেছে সেই সব গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলি ভালো করে পড়বেন এবং একইসঙ্গে সেই সব গুরুত্বপূর্ণ অংশের সম্পর্কিত অন্যান্য অংশগুলিও ভালো করে পড়বেন বিশেষ করে যে যে অংশে আপনার দুর্বলতা আছে সেই অংশগুলো একটু বেশি পড়বেন যাতে পরীক্ষায় বসার পর ওই প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিতে আপনার অধিক সময় ব্যয় না হয়।&nbsp;</p>



<p><strong>Also Read &#8211; <a href="https://rajdeeppaulofficial.in/class-three-bengali-lesson-plan/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">Class III Bengali Lesson Plan.</a></strong></p>



<h3 class="has-text-align-center has-black-color has-vivid-cyan-blue-background-color has-text-color has-background wp-block-heading">সঠিক উত্তর দেওয়ার গতি বৃদ্ধি করা (Increasing Question Attempting Speed with Accuracy)</h3>



<p>যে কোনো পরীক্ষার জন্যই একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে, আমাদের ওই সময়সীমার ভিতরেই সকল প্রশ্নগুলির উত্তর দিতে হয়, কেন্দ্রীয় TET পরীক্ষার ক্ষেত্রে সেই নির্দিষ্ট সময়সীমাটি হলো দুই ঘন্টা ত্রিশ মিনিট অর্থাৎ&nbsp;আড়াই ঘন্টা এবং এই আড়াই ঘন্টা সময়সীমার মধ্যে প্রশ্নপত্রে দেওয়া সবকটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে আমাদের সঠিক উত্তর দেওয়ার গতি আরও তীব্র করতে হবে। অনেকে বলেন যে কেন্দ্রীয় TET পরীক্ষায় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার গতি বাড়ানোর জন্য উত্তরপত্রে দেওয়া সার্কল গুলো ভরতে থাকো&nbsp; কিন্তু এটি সম্পূর্ণরূপে ভুল একটি কথা কারণ শুধুমাত্র&nbsp;উত্তরপত্রে দেওয়া&nbsp;সার্কল গুলো ফিল আপ করাই বড়ো`কথা নয় এটা যে কোনো কেউ করতে পারবে, বরং উত্তরপত্রে প্রতিটি&nbsp;প্রশ্নের সঠিক উত্তর নির্দেশ করে যে&nbsp;সার্কলগুলি&nbsp;সেই সার্কল গুলোকে ফিল আপ করাটাই হলো বড়ো কাজ।&nbsp;</p>



<p>যে কোনো পরীক্ষায় মার্ক্স্ তখনি পাওয়া যায় যখন সকল উত্তরগুলি সঠিক হয় তাই CTET&nbsp; পরীক্ষায় ও ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য সঠিক উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি উত্তরগুলো নির্দিষ্ট সময় সীমার ভিতরে যাতে সম্পূর্ণ করা যায় সে দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে এবং সেই কারণেই সঠিক উত্তর দেওয়ার গতি বাড়ানো খুব বেশি প্রয়োজন। এবার প্রশ্ন হলো গতি কিভাবে বাড়াবেন, তো গতি বাড়ানোর সবচেয়ে সহজ ও প্রমাণিত কৌশল হলো মোক টেস্ট (Mock Test) দেওয়া, তবে প্রথমেই একসঙ্গে ১৫০ টি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য ১৫০ মিনিটের টাইমার লাগিয়ে মোক টেস্ট দিলে ঠিক হবে না, প্রথমে ১০ মিনিটের টাইমার লাগিয়ে ১০ তা প্রশ্নের সঠিক উত্তর করো, তারপর ৩০ মিনিটের টাইমার লাগিয়ে ৩০ টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর করো এবং এইভাবে ধীরে ধীরে সময় ও প্রশ্নের সংখ্যা বাড়িয়ে মোক টেস্ট দিতে থাকলে নিঃসন্দেহে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার গতি বাড়বেই এটা&nbsp;নিশ্চিত&nbsp;এবং এই বর্ধিত গতি&nbsp;আপনাদের কেন্দ্রীয় টেট পরীক্ষায় যথেষ্ট প্রয়োজনে আসবে।&nbsp;</p>



<p><strong>Also Read- <a href="https://rajdeeppaulofficial.in/teachers-diary-in-bengali/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">How to write Teachers Diary in Bengali Language.</a></strong></p>



<h3 class="has-text-align-center has-black-color has-vivid-cyan-blue-background-color has-text-color has-background wp-block-heading">গণিতে অংকের&nbsp;গণনা করার গতি উন্নত করা (Improve Speed in Mathematical calculation)</h3>



<p>পরবর্তী কৌশল যা আমাদের প্রথম প্রয়াসেই কেন্দ্রীয় টেট পরীক্ষায় সাফল্য পেতে সহায়তা করতে পারে তা হলো আমাদের গণিত বিষয়ের অংকের গণনা করার গতি উন্নত করতে হবে। কেন্দ্রীয় টেট পরীক্ষায় সফলতা অর্জন করতে পারেন&nbsp;নি এরকম প্রার্থীদের যদি এটা&nbsp;প্রশ্ন হয় যে তোমরা কেনো সফলতা পাও নি, কি সমস্যা হয়েছিল তখন তাদের মধ্যে অধিকাংশ প্রার্থীরাই এটা বলবে যে তাদের গণিত বিষয়ে থাকা ৩০ টি প্রশ্নের&nbsp;অংকের গণনা&nbsp;করতে অনেক বেশি সময় নষ্ট হয়ে গেছিলো তাই সময়ের অভাবে তারা বাকি বিষয়গুলোর উত্তর দিতে পারেনি। গণিত বিষয়ে এমনিতেই অন্যান্য বিষয়গুলো থেকে একটু বেশি সময় লাগে কিন্তু এই একটু বেশি সময় টা&nbsp;যাতে অনেক বেশি সময়ে পরিবর্তন না হয় সেই কারণে আমাদের অংকের মধ্যে গণনা করার গতি উন্নত করা টা&nbsp;বাধ্যতামূলক বলতে পারেন। এবং এই গতি বাড়ানোর জন্য গণিতের নামতা, সহজ গাণিতিক কৌশল, জ্যামিতিক বিভিন্ন সূত্র ইত্যাদি শিখতে পারেন।&nbsp;</p>



<h3 class="has-text-align-center has-black-color has-vivid-cyan-blue-background-color has-text-color has-background wp-block-heading">নিজে লিখে নিজের ব্যক্তিগত নোটস তৈরী করা (Write and Make your own Notes)</h3>



<p>যে কোনো পরীক্ষার জন্য যে কোনো বিষয়ই হোক না কেনো, পড়া ও শেখার পর সেগুলি লিখে নেওয়া টা একটা খুব ভালো অভ্যাস কারণ এতে পরীক্ষায় বসার পর পড়াগুলো মনে রাখতে অনেক সহায়তা পাওয়া যায়। কেন্দ্রীয় টেট বা CTET পরীক্ষার ক্ষেত্রেও সেটাই করা উচিত। CTET পরীক্ষার সিলেবাসে থাকা যে কোনো বিষয়ই হোক না কেনো&nbsp;যখন ওই&nbsp;বিষয়গুলোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ বা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো পড়বেন তখন সেটা একটা নোটবুকে লিখে নিজের নোটস তৈরী করবেন, CTET পরীক্ষার দুই মাস আগে থেকে যদি এই কৌশলটি ঠিকমতো কাজে লাগান তবে সেটা CTET পরীক্ষায় অনেক বেশি উপকারে লাগবে।&nbsp;</p>



<p>প্রথমে এক নম্বর পয়েন্টে বলা কৌশল অনুসারে&nbsp;পূর্বে হয়ে যাওয়া CTET পরীক্ষাগুলোর প্রশ্নপত্র দেখে সিলেবাসের সকল বিষয়ের&nbsp;গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো নোটবুকে লিখবেন তারপর অনলাইন ভিডিও থেকে হউক বা অনলাইন আর্টিকেল থেকে&nbsp;বা কোনো বই থেকে হলেও ওই সব গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে লিখবেন এবং এর মধ্যে থাকা প্রশ্নোত্তরগুলোও লিখে নিজের ব্যক্তিগত নোটস তৈরী করবেন। নিজের তৈরী করা&nbsp;এই নোটসগুলি পরীক্ষার আগের দিনও আপনাদের যথেষ্ট উপকারে আসবে। পরীক্ষার আগের দিন পড়াশুনা করার জন্য বেশি সময় থাকে না তখন ৫০০ পৃষ্ঠার অন্য কোনো বই পড়ে পাগল হতে হবে না, তখন আপনার নিজের তৈরী করা নোটবুকের সকল গুরুত্বপূর্ণ&nbsp;প্রশ্নোত্তরগুলো আবার পুনঃপাঠ করে আপনারা সুস্থির ভাবে কেন্দ্রীয় টেট&nbsp;পরীক্ষায় বসতে পারবেন।&nbsp;</p>



<p>তো এই ছিল পাঁচটি সহজ কৌশল যা সঠিকভাবে অবলম্বন করে পড়াশুনা করলে যে কোনো প্রার্থী কেন্দ্রীয় টেট পরীক্ষাটিতে&nbsp;প্রথম প্রয়াসেই সফলতা অর্জন করতে পারবে বলে আমার মনে হয়, তবে সময়ে সময়ে&nbsp;অর্থাৎ প্রতি সপ্তাহে কম করে হলেও একবার নিজের অগ্রগতি খতিয়ে নিলে তা আরও বেশি ফলপ্রসূ হবে।&nbsp;</p>



<p></p>
<p>The post <a href="https://rajdeeppaulofficial.in/how-to-clear-ctet-exam-in-first-attempt/">How to Clear CTET Exam in First Attempt || 5 easy and simple strategies.</a> appeared first on <a href="https://rajdeeppaulofficial.in">RajdeepPaulOfficial.in</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://rajdeeppaulofficial.in/how-to-clear-ctet-exam-in-first-attempt/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>

<!--
Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: https://www.boldgrid.com/w3-total-cache/?utm_source=w3tc&utm_medium=footer_comment&utm_campaign=free_plugin

Page Caching using Disk: Enhanced 
Minified using Disk

Served from: rajdeeppaulofficial.in @ 2026-02-03 02:24:03 by W3 Total Cache
-->